প্রকৌশলী জি এম এম কামাল পাশা
বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হলেও
সবচেয়ে দাপুটে ঋতু হচ্ছে বর্ষা। প্রকৃতিতে পরিবর্তনের হাওয়া লেগে বর্ষা এখন
শরত্ জুড়ে দীর্ঘায়িত। মেঘের গুরুম গুরুম আওয়াজ,
সাথে ঝমঝমানি বৃষ্টি। কখনও
টিপ টিপ, কখনও ঝরঝর, কখনও সাঁ সাঁ বেগে। সকাল-সন্ধ্যা দিগন্ত জুড়ে কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। বিজলী চমকে ওঠে থেমে
থেমে। বজ্রের কান ফাটানো আওয়াজে ধরিত্রী কেঁপে ওঠে। বিজলী চমকে গিয়ে যখন
গগনবিদারী আওয়াজ হয় তখন আমরা বলি ঠাটা পড়ছে। এই ঠাটা পড়াকেই বাজপড়া বা
বজ্রপাত বলে ।
আমরা যারা গাঁয়ের ছেলে, বর্ষাকালে বজ্রের তান্ডব স্বচক্ষে দেখেছি। সকাল দুপুর ঝমঝমানি বৃষ্টি। বিদ্যুতের আলোরেখা ঝলক দিয়ে মেঘ এমনভাবে গর্জে ওঠে যেন আকাশ ভেঙে পড়ছে। দুরে বা কাছে কোথাও বাজ পড়ার বিকট শব্দ থেকে বাঁচতে কানের উপর হাত চাপা দিয়ে বারান্দা থেকে দৌড়ে ঘরে চলে যেতাম। যারা আরও ছোট ছিল তারা ভয়ে কেঁদেই ফেলত। এখনও দৈত্যের মত কালো মেঘের বুকে যখন বিজলী চিড়বিড়িয়ে ওঠে, বজ্রের গর্জনে ঘরবাড়ি কেঁপে যায়, মনে হয় জানালা দিয়ে ঠা-টা ঢুকে গেল ঘরের ভিতর, ভয়ে আল্লাহর নাম জপি মনে মনে।
আমরা যারা গাঁয়ের ছেলে, বর্ষাকালে বজ্রের তান্ডব স্বচক্ষে দেখেছি। সকাল দুপুর ঝমঝমানি বৃষ্টি। বিদ্যুতের আলোরেখা ঝলক দিয়ে মেঘ এমনভাবে গর্জে ওঠে যেন আকাশ ভেঙে পড়ছে। দুরে বা কাছে কোথাও বাজ পড়ার বিকট শব্দ থেকে বাঁচতে কানের উপর হাত চাপা দিয়ে বারান্দা থেকে দৌড়ে ঘরে চলে যেতাম। যারা আরও ছোট ছিল তারা ভয়ে কেঁদেই ফেলত। এখনও দৈত্যের মত কালো মেঘের বুকে যখন বিজলী চিড়বিড়িয়ে ওঠে, বজ্রের গর্জনে ঘরবাড়ি কেঁপে যায়, মনে হয় জানালা দিয়ে ঠা-টা ঢুকে গেল ঘরের ভিতর, ভয়ে আল্লাহর নাম জপি মনে মনে।

