তিস্তা বাংলাদেশ-ভারতের ব্যাপার এখানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আসল কোত্থেকে?
![]() |
| পানি বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবিদ ড. আইনুন নিশাত |
তিস্তার পানির সুষ্ঠু ব্যবহার
নিশ্চিতে জলাধার নির্মাণ করে বর্ষার পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন
বলে মনে করেন পানি বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবিদ ড. আইনুন নিশাত। এক
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ‘তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত। এখন শুধু
আনুষ্ঠানিকতা বাকি। বিষয়টি ঝুলিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে।’ তবে
এই বিশেষজ্ঞের মত হচ্ছে, যা কিছু করার ভারতের
সহযোগিতা নিয়েই করতে হবে। আর ভারতেরও
উচিত এ ব্যাপারে আন্তরিক মনোভাব
দেখানো।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হাবিবুল্লাহ ফাহাদ
তিস্তার পানি প্রবাহের আসল চিত্রটা কী?
তিস্তার বিষয়টি তিনটি পর্যায় বুঝতে হবে। তিস্তাতে বর্ষাকালে প্রচুর পানি আসে এবং এর প্রবাহ আড়াই থেকে তিন লাখ কিউসেকে পৌঁছালে তিস্তা এলাকায় বন্যা এবং নদী ভাঙন হয়। জুন-জুলাই ও আগস্টে প্রচুর পানি আছে, যা আড়াই থেকে সাড়ে তিন লাখ কিউবিক ফিট পার সেকেন্ড। দ্বিতীয় পর্যায় হচ্ছে এই পরিমাণটা নেমে আসে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। তখন ২৫ থেকে ৩০ হাজার কিউবিক ফিট পার সেকেন্ডে। তৃতীয় ফেব্রুয়ারি-মার্চে এটা পাঁচ থেকে ছয় হাজারে নেমে আসে। এই প্রাকৃতিক অবস্থা নিয়ে আমরা নদীর কথা বলছি।

